প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মের ছয় বছর বয়সে মাকে হারান। মাতৃগর্ভে থাকতে বাবাকেও হারিয়েছিলেন। শিশু বয়সে চারিত্রিক ভলো গুণাগুলো তাঁর মধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছিল। যুবক বয়সে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য 'হলফুল ফুযুল' প্রতিষ্ঠান করেন। তার এ প্রচেষ্টার ফরে সমাজে শান্তি ফিরে আসে। সকলেই তাকে 'আল-সে। সকা আমিন' বলে ডাকত।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর শৈশবকাল অত্যন্ত চমৎকার। তার শৈশবকাল হতে আমি যেসব শিক্ষা পাই তাহলো-
১. বাল্যকালই মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন অত্যন্ত নম্র ও ভদ্র। তাঁর বাল্যজীবন থেকে নম্র ও ভদ্র ব্যবহারের শিক্ষালাভ করব।
২. হযরত মুহাম্মদ (সা.) বাল্যকাল থেকেই অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীল ছিলেন। শত জটিল পরিস্থিতিতেও তিনি গম্ভীর ও শান্ত থাকতেন। তাঁর বাল্যজীবন থেকে ধৈর্য ও সহনশীলতার শিক্ষালাভ করব।
৩. হযরত মুহাম্মদ (সা.) বাল্যকালেই মিথ্যাচারের বুকে পদাঘাত করে সত্যের রং নিজ জীবনে মেখেছিলেন। তাইতো সবাই তাঁকে 'আল-আমীন' তথা বিশ্বাসী বলে ডাকতেন। ফলে আমি সত্যবাদী হব।
৪. শিশু মুহাম্মদ (সা.) অভিভাবকের প্রদত্ত অর্থের বিনিময়েই মা হালিমার দুগ্ধ পান করেছেন, কিন্তু তবুও তিনি মা হালিমার ছেলেকে সাহায্য করার জন্য তার সাথে মাঠে যেতেন। এ থেকে সহমর্মিতার শিক্ষা লাভ করবে।
৫. জাহিলি যুগেও বালক মুহাম্মদ ছিলেন বিশ্বস্ত ও আমানতদার। তাঁর বাল্যজীবন থেকে বিশ্বস্ততার শিক্ষা লাভ করব।
৬. শৈশবকাল থেকেই মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন নিষ্কলুষ ও অনুপম চরিত্র-মাধুর্যের অধিকারী। তাঁর চারিত্রিক পবিত্রতা ও নির্মলতা সর্বজনবিদিত ছিল। তাঁর বাল্যজীবন থেকে অনুপম চরিত্র-মাধুর্যের শিক্ষা লাভ করব।
আদর্শ জীবন বলতে বোঝায় যে জীবন অনুসরণ করলে জীবন সুন্দর ও সুগঠিত হয়। পৃথিবীতে এমন অনেক মহৎ ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে যাঁদের জীবনচরিত অন্যের জন্য আদর্শ। সুতরাং বাস্তব জীবনে এসব মনীষীর সমাজসেবামূলক কাজ, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, আত্মত্যাগ, ক্ষমা, পরমতসহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমসহ অন্যান্য গুণ অনুসরণ ও অনুকরণ করলে সুন্দর সুশৃঙ্খল ও সফল জীবন লাভ করা যায়।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?